পৃথিবী বদলে দেয়া সংক্রামক রোগঃ স্প্যানিশ ফ্লু [পর্ব ২]
ভাইরাস নামের এমন অদেখা জীবের সূত্রপাত কিন্তু আমাদের জন্য নতুন নয়, ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে ৩০০০ বছর আগেও ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ ছিল, সেসব রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারাও যেত। আমাদের দেশে আগে কলেরার মহামারীতে অনেক মানুষ মারা গিয়েছে। এছাড়াও আমাদের ইতিহাসে বলা আছে যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া সহ আরও কত মাহামারী নাম যারা এইসব অণুজীবের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই ধারাবাহিকভাবে সেইসব কিছু মহামারী বলব। সংক্রামক রোগ নিয়ে আজকে আমাদের দ্বিতীয় পর্বে স্প্যানিশ ফ্লু, যা গত শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মহামারী!
মহামারী এবং সংক্রামক রোগ নিয়ে প্রথম পর্বে আমরা জেনেছিলাম গুটি বসন্ত, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, জিকা ভাইরাস এবং হামের ভয়াবহতা। যেখানে আমরা দেখেছি গুটিবসন্তের মতো সংক্রামক রোগ চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও এটা আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে কারণ এর ভাইরাস এখনো সংরক্ষিত। এছাড়াও ছিলো সামান্য মশার কামড় কীভাবে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ করাতে পারে। চলুন আজকে জেনে নিই স্প্যানিশ ফ্লু সম্পর্কে।
১৯১৪ থেকে ১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। প্রথমে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং সার্বিয়ার মধ্যে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে একে একে অংশ নিয়েছে বিশ্বের সকল পরাশক্তি। অক্ষশক্তি ও মিত্রশক্তির মধ্যকার এই ভয়াবহ সংঘাত যখন প্রায় শেষের দিকে তখনই মহামারী হয়ে ছড়িয়ে পড়ে একটি রোগ। কি রোগ? তেমন কিছুই না। জ্বর, সর্দিকাশি সাধারণ একটি ফ্লু। শুরুতে সাধারণ মনে হওয়া এই ফ্লু একে একে ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বব্যাপী। কেড়ে নেয় আনুমানিক ৫ কোটি লোকের প্রাণ। আক্রান্ত হয় প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। বিভিন্ন দেশের আলাদা আলাদা সূত্র অনুযায়ী সংখ্যাটা আরো বেশি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলের নিচে এই ফ্লুর ভয়াবহ প্রাণহানির কথা প্রায় চাপাই পড়ে গেছে। বলা হয়ে থাকে, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মিলিয়ে যত লোকের প্রাণহানি হয়েছে তার সমান প্রাণহানি হয়েছে এই স্প্যানিশ ফ্লুতে। বর্তমান সময়ে করোনা প্যানডেমিকের কারণে প্রায় বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া এই ইতিহাস আবার আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।
ফ্লু কি?
ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু বলতে আমরা সাধারণ সর্দি কাশি, জ্বর এসব উপসর্গ বুঝি। এর সাথে সাথে কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া, মাংসপেশিতে ব্যথা থাকতে পারে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া কিংবা বমি থাকার সম্ভাবনা আছে। উচ্চমাত্রায় ছোয়াঁচে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এর জন্য দায়ী। এর ফলে আমাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাচি কাশির মাধ্যমে ভাইরাস ড্রপলেট বাতাসে মিশে যায় এবং অন্যকে আক্রান্ত করে। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তি যদি হাত দিয়ে নিজের নাক, মুখ, চোখ কিংবা মুখের ভেতর স্পর্শ করে এবং সেই হাত দিয়ে অন্য কিছু স্পর্শ করে সেক্ষেত্রেও ভাইরাসঘটিত এই অসুখ ছড়াতে পারে।
স্প্যানিশ ফ্লুর নামকরণ
নাম স্প্যানিশ ফ্লু হলেও এই রোগটির উৎপত্তি কিন্তু স্পেনে নয়। ঠিক কোথায় প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাব হয়েছিল সে সম্পর্কে অনেক মতবাদ রয়েছে। তবে একটা ব্যাপার নিশ্চিত, সেটা স্পেন নয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকা স্পেন তাদের সংবাদপত্রের উপর কোনো নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয় নি। ফলে স্পেনের সংবাদপত্রগুলি যুদ্ধের খবরের সাথে সাথে ফ্লু এর খবরও কোনো ধরনের কাটছাঁট ছাড়াই প্রকাশ করতে শুরু করে। তৎকালীন স্পেনের রাজা ত্রয়োদশ আলফোনসোও এই রোগে আক্রান্ত হন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম ফলাও করে ফ্লু এর খবর ছাপতে শুরু করে। যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সংবাদমাধ্যমের উপর নানা রকম বিধি নিষেধ চাপিয়ে দেয়ায় ফ্লু এর বিস্তার ও মৃত্যুর হার সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রকাশ করার কোনো উপায় ছিল না। ফলে ক্রমেই সবার মনে ধারণা জন্মায় হয়ত স্পেন থেকেই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবেই রোগটির নামকরণ করা হয় স্প্যানিশ ফ্লু।
স্প্যানিশ ফ্লুর উৎপত্তি
সবচেয়ে প্রচলিত মত অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসের ফোর্ট রিলির এক সেনা ক্যাম্পে এই রোগ প্রথম ধরা পড়ে। ১৯১৮ সালের ১১ই মার্চ প্রথম কেস রিপোর্ট করা হয়। ক্রমেই ক্যাম্পের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে এবং পরে ক্যাম্পের বাইরেও ফ্লু ছড়িয়ে পড়ে। ক্যাম্পের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপুষ্টি, ইঁদুরের উপদ্রব, অপ্রতুল স্বাস্থ্য পরিসেবা সব মিলিয়ে ক্যাম্পগুলোতে রোগটি ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি।
এছাড়াও ভাইরোলজিস্ট জন অক্সফোর্ডের গবেষণা অনুসারে, ফ্রান্সে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের সেনা ক্যাম্প থেকেও স্প্যানিশ ফ্লুর উৎপত্তি হতে পারে।
স্প্যানিশ ফ্লুর বিস্তার
আমেরিকা হোক কিংবা ফ্রান্স - সেনা ক্যাম্পে উদ্ভূত এই রোগ ক্রমেই পুরো আমেরিকা এবং ইউরোপে ছড়িয়ে পরে। বিশ্বযুদ্ধ শেষে সৈনিকরা একে একে তাদের দেশে ফিরে যেতে শুরু করে। সাথে করে তারা বয়ে নিয়ে গিয়েছিল ভয়াবহ এই ফ্লু। এইভাবে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, ভারতীয় উপমহাদেশ, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সর্বত্র স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পরে। এত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বিপুল সংখ্যক যুদ্ধফেরত সৈনিক, যুদ্ধ পরবর্তী সৈনিকদের দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থাকে দায়ী করা হয়ে থাকে।
সাধারণত ফ্লু জাতীয় রোগ বয়স্ক এবং শিশুদের আক্রান্ত করে। তবে এই দিক থেকে স্প্যানিশ ফ্লু ছিল ব্যতিক্রম। এতে ২০ থেকে ৪০ বছর বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হয়েছিলেন।
স্প্যানিশ ফ্লুতে মৃত্যুর পরিসীমা
আগেই বলেছি স্প্যানিশ ফ্লুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে মতভেদ আছে। বিশ্বের পরাশক্তিগুলো দেশের নাগরিকদের এবং সৈনিকদের মনোবল বজায় রাখার জন্য কখনোই সঠিক সংখ্যাটা প্রকাশ করেনি। তাছাড়া সেই ১৯২০ সালে যুদ্ধ পরবর্তী টালমাটাল সময়ে সঠিকভাবে পরিসংখ্যান বের করাও প্রায় অসম্ভব ছিল। তবু যদ্দুর জানা যায়, প্রায় ৫ কোটি লোক প্রাণ হারিয়েছিল। কোনো কোনো হিসাব অনুযায়ী, সংখ্যাটা ১০ কোটির কাছাকাছি। তবে একটা ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন, H1N1 প্রজাতির এই ভাইরাস আক্রান্ত করেছিল বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষকে। ৫ বছর ধরে চলা বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে অনেক বেশি প্রাণহানি হয়েছিল স্প্যানিশ ফ্লু নামক এই ইনফ্লুয়েঞ্জায়।
স্প্যানিশ ফ্লু সহ যেকোনো ফ্লু প্রতিরোধ করার উপায়
"প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম", কথাটা আমরা কে না জানি! সাধারণত ফ্লু জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বার বার হাত ধোয়া, নাক মুখে হাত না দেয়া, হাচি কাশি দেবার সময় রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করা, বাইরে গেলে মাস্ক বা স্কার্ফ ব্যবহার করা এসব পদক্ষেপ নিলে ফ্লু এর বিস্তার রোধ করা সহজ হয়।
বর্তমানে সারা বিশ্বে চলা কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস মহামারীর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপরও জোর দেয়া হচ্ছে। যেহেতু ভাইরাসটি খুব বেশি দূর যেতে পারে না এবং প্রত্যক্ষ / পরোক্ষ সংস্পর্শ দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে, তাই বার বার সাবান বা অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার কথা বলা হচ্ছে।
স্প্যানিশ ফ্লুর চিকিৎসা
স্প্যানিশ ফ্লুতে এত ব্যাপক প্রাণহানি হবার কারণ তখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ভাইরাস বিরোধী ওষুধ বিজ্ঞানীদের হাতে ছিল না। কোনো ধরনের ভ্যাক্সিনও ছিল না। এমনকি প্রথমে মনে করা হয়েছিল এটা হয়ত কোনো ব্যাকটেরিয়া ঘটিত অসুখ। ক্যাম্পের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যুদ্ধের কারণে ক্রমবর্ধমান সংবেদনশীলতা, মেডিকেল ক্যাম্পগুলোতে গাদাগাদি ভিড়, যুদ্ধকালীন অপুষ্টি, রাসায়নিক আক্রমণ সব মিলিয়ে মানুষ খুব তাড়াতাড়ি এই ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ফলে বেড়ে যায় ব্যাকটেরিয়াল সুপার ইনফেকশন। শারীরিক জটিলতা বেড়ে গিয়ে মৃত্যুর হার বেড়ে গিয়েছিল কয়েক গুণ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে এম্নিতেই ডাক্তার, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কর্মীর অভাব ছিল। যারা যুদ্ধ থেকে ফিরে এসেছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকে নিজেরাই এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ফিরেছিলেন। ফলে চিকিৎসাসেবা চরম মাত্রায় ব্যহত হয়। হাসপাতালগুলো রোগীর চাপে হিমশিম খেতে শুরু করলে একে একে সরকারি নানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অনেক ব্যক্তিগত সম্পত্তি অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সর্বমোট তিনটি ওয়েভে আক্রমণ করা এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ১৯২০ সালে কমতে শুরু করে। কোনো কার্যকরী ওষুধের জন্য নয়। বরং যারা বেঁচে ছিলেন, তারা অনেকেই ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছিলেন অথবা আক্রান্ত না হলেও ইমিউনিটি ডেভেলপ করেছিলেন।
স্প্যানিশ ফ্লুর প্রভাব
ব্যাপক প্রাণহানির কারণে স্প্যানিশ ফ্লুর প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। এই মারণ রোগে কোথাও পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, আবার একই সাথে বেড়ে গিয়েছিল বিধবা এবং অনাথ শিশুদের সংখ্যা। অনেক পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা যাওয়ায় অনাহারে, অর্ধাহারে বাকি সদস্যরাও মারা গিয়েছিল। এমনকি শেষকৃত্য করার লোকও পাওয়া যাচ্ছিল না।
ব্যবসায়ীমহল বাধ্য হয়েছিল ব্যবসা বন্ধ করতে কারণ কর্মীদের মধ্যেও ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল। মেইল সার্ভিস, শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মত জরুরি সেবাও ব্যাহত হয়েছিল। আমেরিকায় মানুষের গড় আয়ু কমে গিয়েছিল ১২ বছর।
স্প্যানিশ ফ্লু এবং সাম্প্রতিক করোনা বিপর্যয়
সময় পাল্টেছে। বিংশ শতাব্দী ছাড়িয়ে একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবী এগিয়ে গেছে বহুগুণ। বর্তমানে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া কোভিড ১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে গবেষণা। স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর ঠিক একশ বছর পর পৃথিবী আবার সেই একই বিপর্যয়ের মুখোমুখি। তবে এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। আছে কার্যকরী কিছু এন্টি ভাইরাল ড্রাগ এবং PCR এর মত নির্ভুল রোগনির্ণয় ব্যবস্থা। যদিও নতুন প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তবুও উন্নত ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা হাতে থাকায় সহজে চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগব্যবস্থা সীমিত করা হয়েছে। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে পার্সোনাল হাইজিন, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং এবং পার্সোনাল প্রটেকশনের উপর। তবুও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। ইতোমধ্যে লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত, বিশ্বের দুইশোর বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই রোগ। তাই খুব বেশি নিশ্চিন্ত হয়ে থাকবার উপায় আমাদের নেই।
স্প্যানিশ ফ্লুকে বলা হয় 'ফরগটেন প্যানডেমিক' বা ভুলে যাওয়া মহামারী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমকালীন হওয়ায় এই ফ্লু নিয়ে খুব একটা আলোচনা হয় না। বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু যতটা আমাদের পরিচিত, স্প্যানিশ ফ্লু ততটা নয়। যদিও মৃত্যু এবং আক্রান্তের দিক থেকে স্প্যানিশ ফ্লুই প্রথম স্থানের দাবীদার। করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য স্প্যানিশ ফ্লুর সময় থেকে শিক্ষা নেয়া খুবই জরুরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব এখন সবচেয়ে ভয়াবহ সময়ের মুখোমুখি। তাই আসুন আমরা সবাই সচেতন হই, ঘরে থাকি এবং সবাই মিলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করি।
